সাম্প্রতিক

কাশ্মীরে কমান্ডো পাঠাল ভারত

ভারতনিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরে বিদ্রোহ দমনে সামরিক বাহিনীকে সাহায্য করতে কমান্ডো পাঠানো হয়েছে।

কাশ্মীরে পৌঁছানোর পর ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ডের (এনএসজি) কমান্ডোরা এখন বাদগাম জেলার হামহামার বিএসএফ সদর দফতরে অবস্থান করছেন।

এদিকে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দিন সাতেক পর শুরু হতে যাওয়া অমরনাথ যাত্রায় বড়সড় হামলার আশঙ্কা রয়েছে।

পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই ও জঙ্গিগোষ্ঠীর মধ্যে টেলিফোন আলাপে আড়ি পেতে ভারতীয় গোয়েন্দারা এ হামলার প্রস্তুতির কথা জানতে পেরেছে বলে দাবি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের।

তারা জানিয়েছে, হামলার ক্ষেত্রে তীর্থযাত্রীদের অপহরণের চেষ্টা হতে পারে। তাই পণবন্দি হলে তীর্থযাত্রীদের দ্রুত উদ্ধারের জন্য ‘হিট’ (হাউস ইন্টারভেনশন টিম) কমান্ডোদের আগভাগেই কাশ্মীরে মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্র। তারা পণবন্দি উদ্ধারে বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত।

কাশ্মীরে কমান্ডো পাঠানোর পর ভারত সরকারের সঙ্গে কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামীদের দায়িত্বে থাকা বিশেষ দূত দিনেশ্বর শর্মা গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছেন বলে অনেকে বলেছেন।

তবে ভারতের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অভিযানের সঙ্গে সঙ্গে আলোচনার দরজাও খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তাই দিনেশ্বর তার দায়িত্ব নিয়েই থাকছেন।

শনিবার কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছেন রাজ্যপাল এমএন ভোরা।

বিজেপি-পিডিপি জোট সরকার ভাঙার-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা ছাড়াও অমরনাথ যাত্রা কীভাবে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করা যায় তা নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা বৈঠকে।

অমরনাথ যাত্রাপথের নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে আজ বৈঠকে বসেন রাজ্য পুলিশের ডিজি, চীনার কোর কমান্ডার, ভিক্টর ফোর্স কমান্ডার এবং সিআরপির আইজি।

এদিকে জঙ্গি দমন অভিযানে গতি আনতে গতকালই রাজ্যপাল ভোরার উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে সাবেক আইপিএস বিজয় কুমারকে।

১৯৭৫ সালের ব্যাচের এ কর্মকর্তা ১৯৯৮ থেকে তিন বছর তিনি বিএসএফের আইজি হিসাবে কাশ্মীরে মোতায়েন ছিলেন।

এ ছাড়া বিজয় দান্তেওয়াড়ায় মাওবাদী দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ২০০৪ সালে দস্যু বীরাপ্পানকে হত্যায় জড়িত বাহিনীর নেতৃত্বেও ছিলেন তিনি।

সব মিলিয়ে বিজয় কুমারকে কাশ্মীরের রাজ্যপালের উপদেষ্টা পদে নিয়োগকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।

error: Content is protected !!