সাম্প্রতিক

কালিদাসপুর ইউনিয়নের সংরক্ষিত ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বরের বিরুদ্ধে ৪০ দিনের কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজে হরিলুটের অভিযোগ

সাম্প্রতিকী ডেস্কঃ আলমডাঙ্গার কালিদাসপুর ইউনিয়নের সংরক্ষিত ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বরের বিরুদ্ধে ৪০ দিনের কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজে হরিলুটের অভিযোগ উঠেছে। হতদরিদ্রদের ওই কর্মসৃজন প্রকল্পে ২৫ জনের পরিবর্তে ৩ ভাগের মাত্র ১ ভাগ শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে কাজ করার অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, আলমডাঙ্গা উপজেলার সকল ইউনিয়নে চলছে কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজ। হতদরিদ্র জনগোষ্ঠিকে কাজের বিনিময়ে আর্থিক সহযোগিতার লক্ষে এ কর্মসৃজন প্রকল্প সরকার হাতে নিয়েছে। দরিদ্র জনগোষ্ঠিকে আর্থিকভাবে ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে সহযোগিতা করতে সরকার এ মহৎ প্রকল্প হাতে নিলেও কিছু স্বার্থান্নেষী জনপ্রতিনিধি সরকারের সৎ উদ্দেশ্য নস্যাত করে দিচ্ছে। অন্যান্য ইউনিয়নের ন্যায় আলমডাঙ্গার কালিদাসপুর ইউনিয়নেও চলছে কর্মসৃজন প্রকল্প। অভিযোগ পেয়ে এই ইউনিয়নের সংরক্ষিত ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বর হাজেরা খাতুনের একটি কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজ সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করা হয়। প্রকল্পটি আসাননগর গ্রামে। গত এপ্রিল মাসের শেষার্ধে এ কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিদিন ২৫ জন করে শ্রমিক ওই কর্মসৃজন প্রকল্পে কাজ করার বাধ্যবাধকতা থাকলেও বাস্তবে তা পাওয়া যায়নি। নির্দেশনার ৩ ভাগের ১ ভাগেরও কম অর্থাৎ ৮ জন শ্রমিককে কাজ করতে দেখা গেছে। অথচ প্রতিদিন ওই কর্মসৃজন প্রকল্পে সর্বোচ্চ ২৫ জন করে শ্রমিকের মাস্টাররোলের তালিকা উপজেলা প্রকল্প অফিসে জমা দিয়ে তাদের বিপরীতে অর্থ উত্তোলন করে সংশ্লিষ্ট মেম্বর আত্মসাত করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প অফিসের সংশ্লিষ্টতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে, সরেজমিনে পরিদর্শনকালে কর্মরত সকল শ্রমিকদের ছবি ধারণ করা হয়। কেন সাংবাদিককে ছবি তুলতে দেওয়া হল এমন প্রশ্ন তুলে মেম্বর হাজেরা খাতুন কর্মরত ওই ৮ শ্রমিককে প্রকল্প থেকে বাদ দিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে বলেও পরবর্তিতে অভিযোগ উঠেছে।
কেন ২৫ জন শ্রমিকের পরিবর্তে মাত্র ৮ জন শ্রমিক দিয়ে কাজ করা করা হচ্ছে? এ প্রশ্ন করলে মেম্বর হাজেরা খাতুন তা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন ২০ জন শ্রমিক কাজ করছে। বাকী ১২ জন কোথায় জিজ্ঞেস করলে বলেন তারা তার ( হাজেরা খাতুনের) ভূট্টা তুলতে গেছে। সে সময় মাস্টাররোলের খাতা দেখতে চাইলেও তিনি তা দেখাতে রাজি হননি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সংশ্লিষ্ট অনেকে অভিযোগ করেছেন যে, মহিলা মেম্বর হাজেরা খাতুন মাস্টাররোলে নিজের স্বামী ও ছেলের নাম ঢুকিয়েছে। মাস্টাররোল দেখে তদন্ত করলেই তার প্রমাণ মিলবে।

সাম্প্রতিক মতামক

মতামত

x

Check Also

জীবননগরে ছাত্রলীগের দুগ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৪

জীবননগরে ফেসবুকে স্ট্যাটাসে কুরুচীপূর্ণ কমেন্ট করাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ৪ জন আহত ...